BDPAY

নিরাপত্তা

আপনার টাকা, আপনার ফোনে সুরক্ষিত

বেশিরভাগ টাকা হারায় চালাকিতে, হ্যাকিংয়ে নয়। এই অভ্যাসগুলো আপনাকে নিরাপদ রাখবে, আর অ্যাপও আপনার পাশে থাকবে।

পাঁচটা অভ্যাস যা বেশিরভাগ প্রতারণা থামায়

  1. ১PIN বা কোড কাউকে বলবেন নাBDPAY কখনো ফোন, SMS বা মেসেজে আপনার PIN বা SMS কোড চাইবে না। যে চায়, সে প্রতারক, নিজেকে BDPAY-এর লোক বললেও।
  2. ২পাঠানোর আগে নাম দেখুনটাকা যাওয়ার আগে অ্যাপ প্রাপকের নামের কিছু অংশ দেখায়, যেমন “ক** হো**”। যাকে পাঠাতে চান তিনি না হলে থামুন।
  3. ৩পেমেন্টের আগে দোকানের নাম দেখুনQR স্ক্যানের পর অ্যাপ বড় করে যাচাই করা দোকানের নাম দেখায়। আসল QR-এর উপর নকল স্টিকার লাগালে অন্য নাম দেখাবে।
  4. ৪পুরস্কার পেতে টাকা লাগে নালটারি জেতা, ক্যাশব্যাক বা “ভুল করে টাকা চলে গেছে” বলে আগে টাকা পাঠাতে বললে সেটা প্রতারণা। অ্যাপে রিপোর্ট করুন।
  5. ৫শুধু অফিসিয়াল স্টোর থেকে ইনস্টলBDPAY শুধু Google Play বা App Store থেকে নিন। কেউ লিংক পাঠালে সেখান থেকে কখনো অ্যাপ ইনস্টল করবেন না।

কিছু ঠিক না লাগলে

  1. নতুন ফোনে সাইন ইনের SMS এসেছে, কিন্তু সেটা আপনি না? সেই SMS-এর লিংকে চাপ দিলেই সাথে সাথে অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ হবে।
  2. অ্যাপে “এটা আমি না” বেছে নিয়ে অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ করুন। সব জায়গা থেকে সাইন আউট হবে, কোনো টাকা নড়বে না।
  3. তারপর BDPAY হটলাইনে ফোন করুন। আসলেই আপনি কিনা যাচাই করে শুধু BDPAY ফ্রিজ খুলতে পারে।

BDPAY আপনার জন্য যা করে

  • এক অ্যাকাউন্ট, এক ফোন

    আপনার অ্যাকাউন্ট একবারে একটা ফোনেই চলে। নতুন ফোনে সাইন ইন করলে পুরনো ফোন সাইন আউট হয়, আর আপনি SMS পান।

  • নতুন ফোনে ২৪ ঘণ্টা বিরতি

    নতুন ফোনে সাইন ইনের পর ২৪ ঘণ্টা টাকা পাঠানো বন্ধ থাকে, যাতে চুরি করা SIM দিয়ে কেউ ওয়ালেট খালি করতে না পারে।

  • সবার জন্য NID আর সেলফি

    প্রতিটা অ্যাকাউন্ট NID আর জীবন্ত সেলফি দিয়ে নির্বাচন কমিশনের সাথে মেলানো হয়। এক NID দিয়ে একটাই ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্ট খোলা যায়।

  • PIN লক

    ৩ বার ভুল PIN দিলে অ্যাপ ৫ মিনিট থামে। ৫ বার হলে SMS কোড আর সেলফি দিয়ে নতুন PIN না দেওয়া পর্যন্ত PIN বন্ধ থাকে।

  • আপনার NID এনক্রিপ্টেড

    NID নম্বর এনক্রিপ্ট করে রাখা হয়। BDPAY-এর কর্মীরা আপনার নম্বর আর NID-এর শুধু কিছু অংশ দেখেন, আর প্রতিটা খোঁজার রেকর্ড থাকে।

  • বড় বদলে দুজন

    BDPAY-এর ভেতরে অ্যাকাউন্টের ফ্রিজ খোলা বা কার কী অনুমতি তা বদলাতে দুজন কর্মী লাগে, কেউ একা করতে পারেন না।